আশ শেফা মধুঘর

Blog

বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের করুন দুর্দশা, ইহুদীদের নজিরবিহীন সাফল্য ও মধু

Juesh

 

ভুমিকাঃ

বিশ্বে বর্তমানে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ১৫০-কোটির মত, যেখানে ইহুদীদের সংখ্যা মাত্র ১ কোটি ৪ লাখ। বিশ্বের জনসংখ্যা হিসেবে মুসলমান ইহুদীর অনুপাত হচ্ছে ১০৭:১। এ ছাড়াও প্রতি ২-জন মুসলমানের বিপরীতে ১-জন হিন্দু, প্রতি ২-জন মুসলমানের বিপরীতে ১-জন বৌদ্ধ এবং প্রতি ১০৭-জন মুসলমানের বিপরীতে ১-জন ইহুদীর বাস আজকের বিশ্বে। সে হিসেবে বিশ্বে মুসলমানগণ বেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ বটে…

কুরআন এ মৌমাছির সহজ সরল পথ ও তাদের ভাষা মৌ নৃত্যের বঙ্গানুবাদ

 

Bee Cycle

 

বিংশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানিদের মৌমাছির জীবন চক্র নিয়ে সুস্পষ্ট কোন ধারনা ছিলো না। তারা গতানুগতিক একটি ধারনার উপর মনে করতো, মৌমাছি দুই রকমের।
একটি হলো- পুরুষ মৌমাছি। এদের কাজ স্ত্রী মৌমাছিদের সন্তান উৎপাদন কার্যে সহায়তা করা,গৃহ (মৌচাক) নির্মাণ,ফুল থেকে মধু সংগ্রহ,গৃহ পাহারা দেওয়া ইত্যাদি।
আরেকটি হলো- স্ত্রী মৌমাছি(Queen Bee)।এদের কাজ হলো শুধু সন্তান উৎপাদন।
এটি ছিল বিজ্ঞানিদের প্রথমদিকের ধারনা।

ঠাণ্ডার, এলার্জি ও শ্বাসকষ্টের জন্য মধু ও রুকইয়াহ

রুকইয়াহ

 

হঠাৎ হাঁপানি উঠেছে, অথবা কাশতে কাশতে দম বের হয়ে যাচ্ছে, হাতের কাছে ইনহেলার বা ভালো কোন ঔষধ নাই, অথবা এলার্জির জন্য হাঁচি হতেই আছে, থামার নামগন্ধ নাই, চোখ চুলকিয়ে অবস্থা কেরোসিন হয়ে যাচ্ছে, ঔষধ খেয়ে খেয়ে বিরক্ত। অথবা রোজা আছেন তাই ঔষধ খেতে পারছেন না।

কি করবেন?

টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীদের মধু খাওয়া কতটুকু নিরাপদ?

honey & diabetics

 

যদিও বহু শতাব্দী ধরেই পৃথিবীতে সাধারণ খাদ্য ও ঔষধি খাদ্য হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে বটে তবে ডায়াবেটিস ( টাইপ ২ ) রোগীদের বেলায় মধু খাওয়া কতখানি নিরাপদ এ বিষয়ে মৃদু বিতর্ক থাকার কারনে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীরা মধু খেতে পারবেন কি পারবেন না এর উত্তরটা একেবারে সরল করে দেয়া কঠিন। কেননা..

মানুষ না মৌমাছি, পৃথিবীর জীবকুলের টিকে থাকার জন্য কে বেশী গুরুত্বপূর্ণ?

W B Day

মানুষ না মৌমাছি, পৃথিবীর জীবকুলের টিকে থাকার জন্য কে বেশী গুরুত্বপূর্ণ?

 

পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য মানুষ নয় বরং ছোট্ট প্রাণী মৌমাছিরই টিকে থাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। কিস্তু কেন?

মৌমাছিরা মধু কিভাবে বানায়?

মৌমাছিরা মধু কিভাবে বানায়ঃ  ১০০ গ্রাম মধু তৈরী করার জন্য একটা অনুসন্ধানী মৌমাছি প্রায় দশ লক্ষ ফুলে বিচরন করে। এক কিলোগ্রাম মধু তৈরী করার জন্য অনুসন্ধানী মৌমাছিকে এক লক্ষ বিশ হাজার থেকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বোঝা সুধা বয়ে আনতে হয়। মৌচাক থেকে ফুলের অবস্থান যদি ১৫০০ মিটার দুরে হয় তবে প্রত্যেকটি বোঝার জন্য তাদের উড়তে হয় তিন কিলোমিটার। এভাবে এক কিলোগ্রাম মধুর জন্য তাদের সর্বমোট উড়তে হয় তিন লক্ষ ষাট হাজার থেকে চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার কিলো দূরত্ব। যা পৃথিবীর পরিধির আট থেকে এগারো গুন।   শুড় দিয়ে ফুলের সুধা চুষে নিয়ে মৌমাছি মধু পাকস্থলী ( যদিও সত্যিকারভাবে তা পাকস্থলী নয়) পূর্ন করার পর মৌচাকে ফিরে আসে। ফিরে আসার পর মৌচাকে অবস্থানরত অনান্য কর্মী মৌমাছিরা অনুসন্ধানী মৌমাছিদের অভ্যার্থনা জানায়। গৃহী মৌমাছিরা তাদের বোঝামুক্ত করে তা কিছুক্ষণ নিজেদের মধু পাকস্থলীতে রেখে দেয়। সেখানে সুধাতে এক জটিল প্রকৃয়া চলে যার শুরু অনুসন্ধানী মৌমাছির পাকস্থলীতে। গৃহী মৌমাছি সুধার প্রকৃয়ার কাজ যেভাবে চালায় তা নিম্নরূপঃ   মৌমাছি তার মুখের অংশ অর্থ্যাৎ নিচের চোয়াল পাশের দিতে খুলে শুড়দুটো সামনে পিছনে একটুখানি প্রসারিত করে। এর ফলে এক বিন্দু সুধা শুঁড়ের মাথায় এসে জমা হয়। এবং মৌমাছি শুঁড় ভেতরে নিয়ে তা আবার নিজের মধু পাকস্থলীতে রাখে।   এভাবে সুধা উগড়ে দেওয়া ও গিলে ফেলার কাজ চলে ১২০ থেকে ২৪০ বার। তারপর কোনো খালি খোপ খুঁজে নিয়ে গৃহী মৌমাছি তার সুধাটুকু জমা করে রাখে। তখনও কিন্ত তা মধুতে পরিনত হয় না। অন্যান্য কর্মী মৌমাছি এরপর সুধাকে মধুতে পরিনত করার জটিল কাজটি চালিয়ে যায়। গৃহী মৌমাছিরা খুব কর্মব্যাস্ত থাকলে অনুসন্ধানীরা নিজেরাই তাদের সুধাবিন্দুর বোঝাটুকু মধু খোপের উপরের প্রাচীরে লাগিয়ে রাখে। এভাবে রাখা ঝুলন্ত বিন্দগুলো তলায়তন বেশি পায়। ফলে জলীয়ভাগের বাষ্পীভবনেও সুবিধা হয় বেশি।   সুধায় জলীয় অংশের পরিমান শতকরা ৪০ থেকে ৮০ ভাগ থাকে এবং তাকে মধুতে পরিনত করতে হলে কখনও কখনও তার তিন চতুর্থাংশ জলীয় অংশ দুর করতে হয়। পাকা মধুতে জলীয় অংশের পরিমান দাড়ায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ। প্রত্যেকটি সুধাবিন্দু এক খোপ থেকে অন্য খোপে বারবার করে বয়ে নিয়ে কর্মী মৌমাছিরা একটানা বাষ্পীভবন চালিয়ে যাওয়ার কাজে সাহায্য করে। কাঁচা সবুজ মধু ঘন মধুতে পরিনত না হওয়া পর্যন্ত এরকম চলে।   সুধা থেকে জলীয় অংশ দূর করার এ কাজটি অনেক মৌমাছি অন্যভাবেও করে। তার পাখা দিয়ে বাতাস করে( মিনিটে প্রায় সাতাশ হাজার বার) মৌচাকে অতিরিক্ত বায়ু সঞ্চালনের ব্যাবস্থা করে। এভাবে বিশুদ্ধ যান্ত্রিক প্রকৃয়ায় শুধু সুধা ঘনীভূত হয় না মৌমাছির মধু পাকস্থলীতে থাকা অবস্থায়ও তার ঘনীভবনের কাজ চলে।   মৌমাছির মধু পাকস্থলীর কোষগুলোর মাধ্যমে সুধা থেকে জলীয় অংশ পরিশোধিত হয়ে তা তাদের রক্তের লসিকা রসের সাথে মিশে যায়। তারপর বৃক্ক হিসেবে কার্যরত মেলপিজি নালিকায় গিয়ে তা দেহ থেকে নিঃসৃত হয়। মৌমাছির দেহের ভিতরেই এভাবে সুধাবিন্দু আয়তনে কমে যায়। উপরন্ত সেখানে তা উৎসেচত( এনজাইম) জৈব অম্ল, জীবাণুনাশক এবং অনান্য পদার্থে সমৃদ্ধ হয়।  মধু পাকস্থলী থেকে সুধাবিন্দু খোপে স্থানান্তরিত করা হলেও মধুতে পরিনত না হওয়া পর্যন্ত এই প্রকৃয়ার অব্যাহত পুনরাবৃত্তি চলতে থাকে।   মধুকোষের খোপগুলো মধুতে পরিপূর্ণ হয়ে গেলে মৌমাছি মোম দিয়ে সেগুলোর মুখ বন্ধ করে দেয়।

মৌমাছিরা মধু কিভাবে বানায়ঃ

১০০ গ্রাম মধু তৈরী করার জন্য একটা অনুসন্ধানী মৌমাছি প্রায় দশ লক্ষ ফুলে বিচরন করে। এক কিলোগ্রাম মধু তৈরী করার জন্য অনুসন্ধানী মৌমাছিকে এক লক্ষ বিশ হাজার থেকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার বোঝা সুধা বয়ে আনতে হয়। মৌচাক থেকে ফুলের অবস্থান যদি ১৫০০ মিটার দুরে হয় তবে প্রত্যেকটি বোঝার জন্য তাদের উড়তে হয় তিন কিলোমিটার। এভাবে এক কিলোগ্রাম মধুর জন্য তাদের সর্বমোট উড়তে হয় তিন লক্ষ ষাট হাজার থেকে চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার কিলো দূরত্ব। যা পৃথিবীর পরিধির আট থেকে এগারো গুন।

মধু সংরক্ষনের নিয়ম কি?

Honey preservation
মধু সংরক্ষনের নিয়ম কি? বা কিভাবে রাখবো, কোন পাত্রে রাখবো, কাঁচের পাত্রে নাকি প্লাস্টিকের? মধু কি ফ্রিজে রাখতে পারবো? মধু কতদিন ভালো থাকে?

মধু বিক্রেতা হওয়ার সুবাদে এ ধরনের প্রশ্ন আমাদের প্রায়ই শুনতে হয়।

এটা স্বাভাবিক, কারন আমরা মধু বিষয়ক অনেক সঠিক তথ্যই জানিনা। দীর্ঘদিন যাবৎ মধু নিয়ে কাজ করার সুবাদে, বানিজ্যিক ভাবে নিজেরা মধু সংরক্ষন করার আলোকে এখানে আমরা মধু সংরক্ষনের চারটি বেসিক নিয়ম নিয়ে বলছিঃ

মৌমাছি সম্বন্ধে অজানা বহু তথ্য জানানো হয়েছিলো ১৪০০ বছর আগেই!!

আল কুরআনে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছিলো মৌমাছি সম্বন্ধে অজানা বহু তথ্য

আল কুরআনে ১৪০০ বছর আগেই জানানো হয়েছিলো মৌমাছি সম্বন্ধে অজানা বহু তথ্য!!

সুরা নাহল এর ৬৮ এবং ৬৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলেনঃ

ছবি ব্লগঃ শারীরিক সুস্থতায় মধু

শারিরীক সুস্থতায় মধু

খাঁটি মধুর গুণাবলী বলে হয়তো শেষ করা যাবে না।

 

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ

 

‘‘সকল পানীয় উপাদানের মধ্যে মধু সর্বোৎকৃষ্ঠ।”

”মধু এবং কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের চিকিৎসা নেয়া উচিত’’।

রূপচর্চায় মধুর ব্যবহার

রূপচর্চায় মধুর ব্যবহার

রূপচর্চায় মধুর ব্যবহারঃ

 

আজ থেকে ৪০০০ বছর পুর্ব হতেই স্বর্ণময় উজ্জ্বল ত্বক পেতে রূপচর্চায় ব্যাপকহারে মধু ব্যবহৃত হতো। কেননা ত্বকের যেকোন সমস্যায় খাঁটি মধু হচ্ছে সেরা প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক।

বর্তমান সময়েও রূপচর্চায় মধুর ব্যাবহার কম নয়। আধুনিক বিজ্ঞানের আশীর্বাদে রূপচর্চার আনুষঙ্গিক সবকিছুতে মধুর ব্যবহার হচ্ছে। যেমনঃ ফেস ক্রীম, ফেস ওয়াশ, শ্যাম্পু, বডি লোশন, বডি ওয়েল সহ ইত্যাদি আরও প্রসাধনীতে।

মধু আসলে ঠিক কি কি কাজ করে ত্বকের জন্য, চলুন তবে দেখে নেয়া যাক:

বাচ্চাদের কি মধু খাওয়ানো যাবে?

বাচ্চাদের কি মধু খাওয়ানো যাবে?

 

হ্যা, শিশুদেরকে মধু খাওয়ানো নিরাপদ তো বটেই, বরং শিশুদের জন্য মধু অত্যন্ত উপকারী ও পুষ্টিকর খাবার।

তবে..

আসুন, মৌমাছির মতো হই

ভুমিকা:

মৌমাছির মতো হওয়ার ধারণাটি আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এসেছে।

ইমাম আহমাদ বর্ণিত একটি সুন্দর হাদিসে বলা হয়েছে যে, আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেনঃ

“যার হাতে মুহাম্মদের (সা.) আত্মা, একজন মুমিন মৌমাছির মতো, যা নিজেও খাঁটি ও স্বাস্থ্যকর জিনিস খায় এবং যা দেয় তাও খাঁটি এবং স্বাস্থ্যকর। আর যখন এটি কোনও কিছুর উপরে অবতরণ করে তখন তা ভাঙ্গে না বা নষ্ট করে না”

এখন আসুন আমরা মৌমাছির আরোও কয়েকটি বৈশিষ্ট্য এবং তাদের গুনাবলী বিশ্লেষন করে বোঝার চেস্টা করি তাদের সফলতার মূল রহস্য কি এবং কিভাবে তা আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারিঃ

টপিকঃ জ্বর এবং মধু

Stay Healthy With Ash Shefa Honey

টপিকঃ জ্বর এবং মধু

আমাদের মধ্যে কমবেশি সবাই কখনো না কখনো এই জ্বরের স্বীকার হয়েছি। জ্বর হয়নি একথা কেউ বলতেই পারবে না। কোনো জ্বর না হোক ভাইরাস জ্বর কিংবা ম্যালেরিয়া দ্বারা কমবেশি সবাই আক্রান্ত হয়েছি। অথচ এই অতি সাধারণ রোগটা সম্পর্কে আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষেরই খুব একটা স্বচ্ছ ধারণা নেই।

সুন্দরবন পাঠঃ জানা-অজানা কিছু তথ্য

Ash Shefa Midhughor blog theme pic
আমাদের সুন্দরবন

সুন্দরবনকে সচরাচর পাঠ করা হয় কীভাবে?

সুন্দরবনকে সচরাচর আমরা পাঠ করি ব্যাকরণ ও ভাষ্যে। ‘একক আয়তনে দুনিয়ার বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন’, ‘বিশ্বঐতিহ্য’, ‘বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন যেখানে বাঘ বেঁচে আছে’, ‘বাংলা বাঘ ও ইরাবতী ডলফিনের বৃহৎ বিচরণস্থল’ কিংবা ‘সংরক্ষিত বনাঞ্চল’।

প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানকাণ্ডে সুন্দরবনকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে এমনসব তকমায়, যা এই জনপদের অরণ্যদর্শন থেকে এই বনকে এক বিচ্ছিন্ন, অনৈতিহাসিক ও অপর অঞ্চল বানিয়ে রেখেছে। কিন্তু হাজার বছর ধরে এই অরণ্যগর্ভে জন্ম নিয়ে টিকে আছে যে বনজীবী জনগণ তারা কীভাবে বহুল আলোচিত সুন্দরবনকে পাঠ করে? বনজীবী জনগণের ভাষ্যে সুন্দরবন কেমন?

মৌমাছি ও মধুর প্রাচীনত্বের অনুসন্ধান

মধু ও মৌমাছির প্রাচীনত্বের অনুসন্ধানঃ

আদিম মানুষের উদ্ভবের প্রায় ৫ কোটি ৭ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে মৌমাছির আবির্ভাব। প্রাচীন সংস্কৃতির যেসব পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন এখনও টিকে আছে তাতে সুস্বাদু ও পুষ্টিকর মধু অনুসন্ধানে আদিম মানুষ যে খুবই তৎপর ছিলো তারই ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

এ ধরনের সবচেয়ে প্রাচীনতম নিদর্শন হচ্ছে ‘কিউভাস দে লা আরায়া’ তে পাওয়া লাল রঙে আঁকা মধু সংগ্রহকারীদের একটি প্রস্তরচিত্র।

কিউভাস দে লা আরায়া'
কিউভাস দে লা আরায়ায় প্রাপ্ত গুহাচিত্রঃ ম্যান অফ বাইকার্প
‘কিউভাস দে লা আরায়া’ (ইংরেজিতে আরাআ গুহা বা স্পাইডার গুহা নামে পরিচিত) হলো বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে পূর্ব স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া রাজ্যের এসকালোনা নদীর উপত্যকায় স্থানীয় এক স্কুল শিক্ষক এর দ্বারা আবিষ্কৃত প্রস্তর শিল্পযুগের প্রাগৈতিহাসিক লোকেদের ব্যবহার্য ৮০০০ বছরের পুরনো একটি গুহা, যেটি ধনুক এবং তীর দিয়ে ছাগল শিকারের আঁকা চিত্র এবং জন্য এবং একটি মানুষের মধু সংগ্রহের চিত্রিত দৃশ্যের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে। গুহা টি আইবেরিয়ান ভূমধ্যসাগরীয় অববাহিকার ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট রক আর্টে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

খাঁটি মধু কিভাবে চিনবেন?

খাটি মধু কিভাবে চিনবেন
খাটি মধু চেনার উপায়ঃ

খাঁটি মধু কিভাবে চিনবেন?

“ভাইয়া / আপু আপনার মধু খাঁটি তো? খাঁটি মধু চেনার উপায় কি? কিভাবে বুঝবো আপনাদের মধু খাঁটি?’’- এ জাতীয় প্রশ্ন আমাদের অনেকেই করে থাকেন। যেহেতু আজকাল চারিদিকে শুধু ভেজাল পন্যের সমারোহ সুতরাং, এমন প্রশ্ন মনে আসাটাই স্বাভাবিক।
প্রথমে আমি আমার দীর্ঘ বিশ বৎসরের মধুর ব্যবসার অভিজ্ঞতার আলোকে কিভাবে খাাঁটি মধু শনাক্ত করি, সেটাই আপনাদের একটু বলি:

বাদাবন বা সুন্দরবন, মউলি বা মৌয়াল, মৌমাছি, মধু ও বাঘ এর গল্প

সুন্দরবন বা বাদাবন

বাদাবন বা সুন্দরবন, মউলি বা মৌয়াল, মৌমাছি, মধু বাঘ এর গল্পঃ

বারো ভাটি-আঠারো-ভাটির রাজ্য সুন্দরবন যার আঞ্চলিক নাম বাদাবন। সুন্দরবন স্থানীয়ভাবে বাদা বা বাদাবন, হুলোবন, শুলোবন, মাল, মহাল হিসেবে পরিচিত। বাদা মানে জোয়ার-ভাটা বয়ে যায় যে বনে।

সুরা নাহল এর মৌমাছি বিষয়ক দুটি আয়াতের শাব্দিক পোস্টমর্টেম

Ash Shefa Blog

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কুরআনের সুরা আন-নাহল এ বলেছেন:

وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ.

আপনার পালনকর্তা মধু মক্ষিকাকে আদেশ দিলেনঃ পর্বতের গায়ে, বৃক্ষ এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর
[ সুরা নাহল: ৬৮ ]

 

ثُمَّ كُلِي্ مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلاً يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءلِلنَّاسِ إِنَّ فِي ذَلِكَ لآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ.

এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। [ সুরা নাহল: ৬৯ ]

মধু এবং ব্যাকটেরিয়া, একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা

মধু এবং ব্যাকটেরিয়া, একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা

“Honey seems especially indicated when wounds become infected or fail to close or heal. It is probably even more indicated on the wounds left by laparoscopic surgery to remove cancer.”
-FAISAL RAUF KHAN, M.D., NATIONAL HEALTH SERVICE TRUST, U.K.

৪ টি সাধারন অসুখ, শীত এলেই যেসব হয়ে ওঠে ভয়ঙ্করঃ পর্ব-১

<img src="topinfo_bg.png" alt="">
পর্বঃ- ১:  এ্যাজমা বা হাঁপানী

৪ টি সাধারন অসুখ, শীত এলেই যারা হয়ে ওঠে ভয়ঙ্করঃ

১. অ্যাজমা

২. বিবিধ চর্মরোগ

৩. ডায়রিয়া (বিশেষত শিশুদের) ও

৪. নাক-কান-গলার অসুখ।

তাই এ সময়ে সুস্থ থাকতে শরীরের বাড়তি যত্নের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি সর্তকও থাকতে হয়।

আসুন জেনে নিই শীতকালীন এসব রোগগুলোর লক্ষন ও প্রতিরোধ/ নিয়ন্ত্রনে কি করণীয়ঃ

Call Now Button