আশ শেফা মধুঘর

সাবধান! আসছে শীত..

আসছে শীতকালঃ

আসছে শীতকাল। সেই সাথে আসছে সর্দি, কাশি, জ্বর, গলাব্যাথা, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি নানান শীতকালীন অসুখবিসুখ।

শীত এলেই এসব রোগে কম বেশী ভোগেন না এমন মানুষ কমই আছেন। শীতে শীতকালীন অসুখ-বিসুখ জ্বর, সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। শীতের একটা সময়ে প্রায় সব বয়সের মানুষেরাই কোন না কোন ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

কিছু পরিসংখ্যানঃ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত নভেম্বরের এক হিসেবে শীতের কারণে ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে চার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এমন রেকর্ডও আছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, গত বছর শীতকালে দিনপ্রতি রোগীর সংখ্যা চার হাজার এমনকী পাঁচ হাজারে গিয়ে ঠেকেছিল শুধুমাত্র ঢাকাতেই। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানিয়েছিল, গত ১ নভেম্বর ২০১৯ থেকে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি ২০২০) পর্যন্ত সারাদেশে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৫৯ হাজার ১৩৯ জন; মারা গেছেন ২০ জন। ডায়রিয়াতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ ৪৪ হাজার ৪৮৮ জন; মারা গিয়েছেন চার জন। অন্যান্য অসুস্থতায় ( জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ ও জ্বর) আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ ৬৮ হাজার ১১০ জন আর মারা গিয়েছেন ৩০ জন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট থেকে আরোও জানা যায়, বাংলাদেশের মানুষ চিকিৎসার জন্য যে টাকা খরচ করেন তার ৭০ শতাংশের বেশি যায় শুধুমাত্র ওষুধের পেছনে। আমরা প্রতি বছর ঔষধের পেছনে হাজার হাজার কিংবা লক্ষ টাকাও ব্যয় করি, কিন্তু সাশ্রয়ী দামে একটি বিশেষ মহৌষধ আপনার ডাইনিং রুমের টেবিলের ওপরই আপনার কাছাকাছি থাকতে পারে – আশ শেফা মধুঘরের দেশসেরা খাঁটি মধু। 

 

মধু চিকিৎসা যুগে যুগেঃ

বহু শতাব্দী ধরে মানুষ ঔষধ হিসাবে বিভিন্ন ভেষজ এবং প্রাকৃতিক খাবার ব্যবহার করে আসছে।  কাশি, সর্দি বা গলা ব্যথার জন্য প্রায় প্রতিটি মায়ের নিজস্ব ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে।  কেন এই প্রতিকারগুলি যুগ যুগ প্রচলিত?  কারণ মধু আসলেই কাজ করে! মধুর প্রচুর ঔষধি ব্যবহার রয়েছে, কাশি ও নিরাময়ের ক্ষত থেকে শুরু করে ভাল হজমের প্রচার, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে এবং অ্যালার্জি থেকে বাঁচার জন্য এর ব্যবহার রয়েছে।  প্রাচীন গ্রীকদের কাছে এটি “মাতৃ দেবতাদের অমৃত” নামে পরিচিত ছিল, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

 

মধুর উপকারীতা বহুমুখীঃ

মধু কেবল সুস্বাদুই নয়, এটি গলা ব্যথায় উপশম দেয় এবং কাশি উপশম করে। এটি চা, কফি, বা একটি স্মুদিতে রাখুন বা এটি চামচ দিয়ে সরাসরি খান – প্রাকৃতিক কাশি দমনকারী হিসাবে। ঠান্ডাজনিত কাশির প্রতিকারে লেবু এবং মধু মিশ্রিত গরম পানিও উপকারী।

এতে নানান পদের খনিজ, জৈব এনজাইম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন বি এবং সি এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো পুষ্টি রয়েছে।  মধুতে রয়েছে প্রি এবং প্রোবায়োটিক এবং ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং ফেনলিক অ্যাসিডগুলির একটি অ্যারে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। এটি মধুকে সুস্বাস্থ্যের জন্য একটি শক্তিশালী উপাদান হিসাবে পরিনত করেছে। মধুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য কিছু ব্যাকটিরিয়া এবং ভাইরাসের সাথে লড়াই করতে পারে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ১ বছরের বেশি বয়সী বাচ্চাদের ঠান্ডা লাগার লক্ষণ হিসাবে মধু কাশি থেকে মুক্তি দিতে কার্যকর ছিল।

মধু হলো একটি বহুমাত্রিক-কার্যকর প্রকৃতির দান, প্রকৃতির পক্ষ হতে যার মাধ্যমে যুগে যুগে মানুষকে উল্যেখযোগ্য নিরাময় প্রদান করা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে।

 
মধুর নিরাময় ক্ষমতার নেপথ্যেঃ

মধু অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাংগাল বৈশিষ্ট্য দ্বারা পূর্ণ এবং এটি পরজীবী, ভাইরাস এবং এমনকি কিছু টিউমার কোষও ধ্বংস করতে পারে। মধু এমন একটি অ্যান্টিসেপটিক যা কখনই ক্ষয় হয় না। মধু তুলনামূলকভাবে অ্যাসিডিক থাকে এমনকি পাতলা হলেও, এটি প্রায় ৩.৫ এর পিএইচ বজায় রাখে।  বাইরের কোনও কিছুই মধুর এই পিএইচ সমৃদ্ধ পরিবেশে টিকতে পারে না।  মধু দেহে ক্ষার যুক্ত করে। আর ক্ষার তৈরির খাবারগুলি যে কোনও ডায়েটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলি আপনার পেটের অভ্যন্তর পরিষ্কার রাখে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কোষগুলির দ্বারা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি অ্যাসিড বর্জ্যকে আলাদা করে বের করে ফেলতে সহায়তা করে।

মৌমাছিরা একটি প্রোটিন তৈরি করে যা তারা মধুতে যুক্ত করে, যার নাম ডেনফেসিন -১। মধুর এক বিশাল অংশের অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য এই প্রোটিন থেকেই আসে।  মূলত, এগুলি হ’ল প্রাচীন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক যা বিভিন্ন অণুজীবের বিরুদ্ধে অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল ক্রিয়াকলাপের সাথে মিলিত হয়ে কাজ করে। তাই মধু হলো একটি বহুমাতৃক-কার্যকর প্রাকৃতির দান যা মানুষকে উল্লেখযোগ্য নিরাময় শক্তি প্রদানের মূল চাবিকাঠি।

 
আশ শেফার মধু- বাংলাদেশের সেরা মধুঃ

আশ শেফা আপনার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুধু খাঁটি মধুই সংগ্রহ করে না, মধুর সর্বোচ্চ মানও নিশ্চিত করে। তাই আশ শেফা মধুঘরের মধু নিঃসন্দেহে খাঁটি তো বটেই, পাশাপাশি মানের দিক থেকেও দেশ সেরা। আশ শেফার অনলাইন স্টোরে বিভিন্ন ধরণের মধু রয়েছে।  এখান থেকে বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত হতে নিশ্চিন্তে খাঁটি মধু সংগ্রহ করতে পারেন। খাঁটি স্বাস্থ্যকর মধুর ক্ররয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য আশ শেফার মধুর সম্পর্কে আরও যে কোনও বিস্ততারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে আশ শেফা মধুঘরের সাথে 01919442385 নাম্বারে বা অনলাইনে ashshefa.com এ যোগাযোগ করুন।

 

মধুর চিকিৎসা সম্পর্কিত আরও তথ্য এখানে পাবেন:

১.
মধু ও শারীরিক সুস্থতা > টপিক:শারীরিক সুস্থতায় মধু গুণাগুণঃ

পর্ব-০১: https://www.facebook.com/102914111160597/posts/164428901675784/

পর্ব-০২: https://www.facebook.com/102914111160597/posts/167357614716246/

২.
মধু ও স্বাস্থ্য > টপিক:সাধারন জ্বর, ঠান্ডা, কাশি প্রতিরোধে মধুর ঔষধি গুণঃ


https://www.facebook.com/102914111160597/posts/153922509393090/
 

আশ শেফা মধুঘর সম্পর্কেঃ

https://ash-shefa.com/about

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আশ শেফা মধুঘর

FREE
VIEW